চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী মো. করিম সাহেব l33-এ যোগ দিয়েছেন প্রায় এক বছর আগে। বয়স ৪২, আমদানি-রপ্তানির ব্যবসা করেন। ব্যস্ত জীবনে একটু বিনোদনের জায়গা খুঁজছিলেন — সেখান থেকেই l33-এর সাথে পরিচয়।
ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল অভিজ্ঞতা
করিম সাহেব প্রথমেই l33-এর পেমেন্ট সিস্টেম নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। "আমি আগে একটি অন্য সাইটে খেলতাম, যেখানে টাকা তুলতে সপ্তাহ লেগে যেত। l33-এ প্রথম উইথড্রয়াল রিকোয়েস্ট করার ৬ ঘণ্টার মধ্যে টাকা আমার বিকাশে চলে আসে। এটাই আমাকে স্থায়ী সদস্য করে নিয়েছে।"
l33-এর ডিপোজিট সিস্টেমও তার কাছে প্রশংসার পাত্র। bKash, Nagad, রকেট — সব মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ডিপোজিট সম্ভব। বড় অঙ্কের লেনদেনেও কোনো ঝামেলা নেই।
পছন্দের গেম ও কৌশল
করিম সাহেব মূলত রুলেট ও লাইভ ব্ল্যাকজ্যাক খেলেন। রুলেটে তার নিজস্ব বেটিং কৌশল আছে — ছোট ছোট বেট দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে বাড়ান। "l33-এর লাইভ ক্যাসিনোতে ডিলাররা খুব পেশাদার এবং গেমের গতি ঠিকঠাক। কখনো মনে হয় না যে কোনো সমস্যা আছে।"
এক বছরে তিনি l33 থেকে মোট ৳১,২০,০০০ এর বেশি জিতেছেন। তার মতে সাফল্যের মূল রহস্য হলো নিজের বাজেটের মধ্যে থাকা এবং আবেগে বড় বেট না রাখা।
"l33-এ খেলার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো স্বচ্ছতা। জেতার টাকা দ্রুত পাই, কাস্টমার সার্ভিস সবসময় সাহায্য করে, এবং গেমগুলো সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ মনে হয়। বছরখানেক ধরে খেলছি, কোনো অভিযোগ নেই।"
— মো. করিম, চট্টগ্রাম